দুর্গাপুর: বহুদিন ধরেই পুলিশের চোখ এড়িয়ে ছিলেন বিজেপির যুবনেতা পারিজাত গাঙ্গুলী। অবশেষে সোমবার সকালে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে নাটকীয়ভাবে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে দুর্গাপুরের কোকোভেন থানায় আনা হয় এবং সেখান থেকে আদালতে তোলা হয়।
🚨 ঘটনাটি কী?
৩১ জুলাই, বৃহস্পতিবার, বাঁদজোড়ার হাত অংসুরিয়া এলাকা থেকে গরু বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান জেমুয়া যাওয়ার পথে দুর্গাপুরের গ্যামন ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে পারিজাত ও তার সমর্থকেরা গাড়িটি থামিয়ে দেয়।
অভিযোগ:
- চালকের গলা চেপে ধরে গাড়ি থেকে নামানো হয়
- গাড়িতে থাকা কয়েকজনকে লাঠি দিয়ে মারধর
- কান ধরে ওঠবস করানো
- “জয় শ্রী রাম” স্লোগান দিতে বাধ্য করা
- গরুগুলোকে গাড়ি থেকে নামিয়ে খোলা মাঠে ছেড়ে দেওয়া
- বাকিদের হাত-পা বেঁধে মারধর
ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তৃণমূল জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী কোকোভেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
👮 গ্রেফতারি অভিযান
ঘটনার পর কোকোভেন থানার পুলিশ একে একে ৭ জন পারিজাত সমর্থক ও বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে। কিন্তু পারিজাত গা-ঢাকা দেন।
সোমবার ভোরে ধনবাদে এক টি স্টল থেকে তাকে পাকড়াও করে পুলিশ।
তবে বিজেপি বিধায়ক লখন ঘরুই দাবি করেন —
“পারিজাত গাঙ্গুলী আত্মসমর্পণ করেছেন, পুলিশ গ্রেফতার করেনি।”
এদিকে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর বক্তব্য —
“পুলিশ ধনবাদ থেকে গ্রেফতার করেছে। এতদিন পালিয়ে ছিল, অবশেষে ধরা পড়েছে। এমন মানুষদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।”
⚖ আদালতের রায়
আদালতে হাজিরার সময় বিপুল ভিড় এবং কড়া নিরাপত্তা লক্ষ্য করা যায়। শুনানির পর বিচারক পারিজাতকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।











