‘আমার এলাকা, আমার সমাধান’: বারাবনিতে তৃণমূলের জনসংযোগে নতুন আশা

single balaji

বারাবনি, পশ্চিম বর্ধমান
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে শুরু হওয়া ‘আমার এলাকা, আমার সমাধান’ প্রকল্প গ্রামীণ অঞ্চলে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। স্থানীয় সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্য নিয়ে বারাবনি বিধানসভা এলাকায় একাধিক শিবিরের আয়োজন করা হয়।

সালানপুর ব্লকের উত্তরামপুর জিতপুর পঞ্চায়েতের প্রান্তপল্লী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ নং ৯৭ ও ৯৮ এবং সালানপুর পঞ্চায়েতের ক্ষুদিকা কমিউনিটি হলের বুথ নং ১৩৮ ও ১৩৯-এ এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বারাবনির বিধায়ক ও আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়। তিনি রাস্তা মেরামত, পানীয় জলের সংকট, বিদ্যুৎ সংযোগ ও নিকাশী পরিষ্কারের মতো সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন।

এদিন সালানপুর ব্লকের বিডিও দেবাঞ্জন বিশ্বাস, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আরমান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কৈলাশপতি মণ্ডল ও তৃণমূল নেতা ভোলা সিং উপস্থিত ছিলেন। ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের মাধ্যমে শংসাপত্র বিতরণ করা হয় এবং নানা সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়।

বিধান উপাধ্যায় বলেন,

“মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা ছোট ছোট সমস্যার সমাধানকেও অগ্রাধিকার দিচ্ছি। এই শিবিরগুলি মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সেতুবন্ধ।”

প্রকল্পের প্রথম দিন রাজ্যজুড়ে ৬৩২টি শিবিরে প্রায় ১.৭৫ লক্ষ মানুষ অংশ নেন। প্রতিটি বুথের জন্য ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দসহ মোট ৮,০০০ কোটি টাকার বাজেট থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে হাতপাম্প, রাস্তার লাইট ও স্কুল অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রান্তপল্লী ও ক্ষুদিকা শিবিরে স্থানীয় মানুষের উৎসাহী অংশগ্রহণে স্পষ্ট যে, এই উদ্যোগ বিশেষ করে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় বিরাট গুরুত্ব বহন করছে। এতদিন যে সমস্যাগুলি প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে যেত, এখন সরকার নিজে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে। এর ফলে মানুষের আস্থা বেড়েছে এবং উন্নয়নের পথে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

ghanty

Leave a comment