✍️ প্রতিবেদন: সঞ্জীব কুমার যাদব, বরাকর |
বরাকর স্টেশন রোডের আলু গদ্দি সংলগ্ন এলাকায় ড্রেন ও শহরের আবর্জনা রাস্তায় ফেলে রাখার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয়রা। রাস্তায় পথ অবরোধ করে তীব্র প্রতিবাদ জানালেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, আসানসোল পৌর নিগমের অন্তর্গত বারাকর বাসস্ট্যান্ড এলাকার সাফাইকর্মীরা ড্রেন ও রাস্তাঘাট পরিষ্কার করে সেই আবর্জনা রাস্তার ধারে ফেলে রাখেন। যার ফলে ঐ আবর্জনার ওপর ঘুরে বেড়ায় রাস্তায় থাকা ছাগল, শুয়োর ও কুকুর। নোংরা ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। এই গন্ধে ও আবর্জনার মাঝে মশা-মাছি জন্ম নিচ্ছে, এবং এরফলে মারাত্মক সংক্রামক রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
🗣️ অভিযোগ করেও মিলছে না সমাধান
স্থানীয়রা জানান, বারবার অভিযোগ জানানোর পরেও পৌরসভার কর্মীরা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। দুই কাউন্সিলরের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়, কিন্তু তারা নিজের এলাকা নয় বলে দায় ঝেড়ে ফেলেছেন। বাধ্য হয়েই মানুষ পথে নেমেছেন।
🚫 “কোথাও নেই আবর্জনা জমা রাখার জায়গা”
ডিবুডিহ চেকপোস্ট থেকে শুরু করে রামনগর, মানবাদিয়া, স্টেশন রোড, বেগুনিয়া বাজার, বাসস্ট্যান্ড, হanুমান চড়াই— এই সমস্ত জায়গায় আবর্জনা জমা রাখার জন্য একটিও ডাস্টবিন বা নির্দিষ্ট জায়গা নেই বলে অভিযোগ। ফলে সাফাইকর্মীরা ড্রেন পরিষ্কারের পর রাস্তার উপরেই ময়লা ফেলে দিচ্ছেন।
👉 স্থানীয় বাসিন্দা রজত ঠাকুর বলেন:
“এই রাস্তার ওপর জমা আবর্জনার জন্য বহুবার যানজট সৃষ্টি হয়। মানুষ মুখে কাপড় বেঁধে রাস্তা পার হয়। পরিস্থিতি কতটা ভয়ঙ্কর, বোঝাই যাচ্ছে।”
👉 কিশোর সাও বলেন:
“অনেকবার অনুরোধ করা হয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে পথ অবরোধ করতে হয়েছে।”
👉 সুরেশ ডালমিয়া বলেন:
“পৌর নিগম হওয়ার পরেও আধুনিকতা কোথায়? দেশের কোন মিউনিসিপ্যালিটি রাস্তার উপর ময়লা রাখে?”
👉 আফজল খান জানান:
“গত ১০ দিন ধরে রাস্তার ধারে ময়লা জমে আছে, কেউ পরিষ্কার করতেই আসেনি।”
👮 পুলিশি আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার
বারাকর থানার পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পৌরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং আশ্বাস দেন— আজ থেকেই রাস্তায় জমা ময়লা পরিষ্কার করার কাজ শুরু হবে। এরপর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।










