📍আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান:
পিএইচই-র ঝড়িয়া পাম্প হাউস ব্রিজ ভেঙে পড়ায় ৫২টি গ্রামে প্রবল জলসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার আসানসোল বিজেপি জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন জেলা বিজেপি সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য, বিজেপি রাজ্য সদস্য কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি এবং আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্য বিজেপি সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পল।
দেবতনু ভট্টাচার্যের কথায়, “এটা নিছক একটা দুর্ঘটনা নয়, এটা রাজ্য সরকারের চরম গাফিলতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার জ্বলন্ত প্রমাণ। ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে দুরবস্থার মধ্যে ছিল, মেরামতির কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আজকের এই পরিস্থিতি সেই অবহেলার ফল। আগামী দিনে আসানসোলের বহু অঞ্চলে জলসংকট ভয়াবহ রূপ নেবে।”
কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি অভিযোগ করেন, “ঝড়িয়ার ব্রিজ তো ভাঙলই, কালাঝারিয়া পাম্প হাউসের ব্রিজটাও এখন ভাঙার মুখে। নিচে থেকে অবৈধভাবে বালি তুলে বালি মাফিয়ারা ব্রিজগুলোর ভিত্তি দুর্বল করে দিয়েছে। প্রশাসন কিন্তু সব জেনেও চোখ বন্ধ করে বসে আছে।”
📢 কাল জেলাশাসককে স্মারকলিপি দেওয়া হবে ও ঘেরাও কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
অগ্নিমিত্রা পল বলেন, “পুরো পশ্চিমবঙ্গে মাফিয়া রাজ চলছে। তৃণমূল নেতারা মাফিয়াদের থেকে অর্থনৈতিক লাভ নিচ্ছেন, তাই জীর্ণ ব্রিজগুলোর মেরামত করা হয়নি। দুর্ঘটনার পর প্রশাসন ঘুম থেকে জেগেছে।”
তিনি সতর্ক করেন, “এই ব্রিজ ভেঙে পড়ার ফলে ৫২টি গ্রামে জল পৌঁছানো বন্ধ হয়ে যাবে। জেলাশাসক বলছেন, ট্যাঙ্কার দিয়ে জল পৌঁছানো হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এত ট্যাঙ্কার কোথা থেকে আসবে? সরকার কি মানুষকে পিপাসায় মারার পরিকল্পনা করছে?”
বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছেন, অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক, না হলে ভবিষ্যতে এর চেয়েও বড় বিপর্যয় ঘটবে।










