🗓️ ঘটনাস্থল: খিদিরপুর বাজার, কলকাতা | 📆 তারিখ: সোমবার ভোররাত, ১৬ জুন ২০২৫
কলকাতার খিদিরপুর বাজার এলাকায় সোমবার ভোররাতে (প্রায় ১টা নাগাদ) এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শত শত দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাজারজুড়ে ধোঁয়া আর আগুনের রোল দেখা যায় কয়েক ঘণ্টা ধরে। আগুন নেভাতে দমকলের ২০টি ইঞ্জিন পাঠানো হয় এবং বহু ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে, এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
🚨 দমকল দেরিতে পৌঁছনোর অভিযোগে ফুঁসছেন স্থানীয়রা
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, আগুন লাগার পর এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দমকল না পৌঁছনোর ফলে আগুন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এক দোকানদার বলেন,
“আমরা সব কিছু হারিয়েছি। এ জীবনের সমস্ত পরিশ্রম আজ আগুনে পুড়ে ছাই। এটা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা।”
আরও অভিযোগ, অনেক দমকল ইঞ্জিনে পর্যাপ্ত জল ছিল না। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও এই অভিযোগে একমত।
🧯 দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর পাল্টা যুক্তি
ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন,
“বাজারের গলি এতটাই সরু যে দমকল ইঞ্জিন সহজে ঢুকতে পারেনি, তাই উদ্ধার কাজে সময় লেগেছে। আমাদের কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। দোকানগুলিতে আগুন প্রতিরোধের কোনও সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না, সেটাও বড় কারণ।”
মন্ত্রী এই অভিযোগ অস্বীকার করেন যে ইঞ্জিন প্রস্তুত ছিল না। তাঁর দাবি, সময় মতোই দমকল পৌঁছেছে।
🏛️ বিজেপির প্রশ্ন – বারবার অগ্নিকাণ্ড কেন?
পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সোশ্যাল মিডিয়া এক্স (X)-এ পোস্ট করে প্রশ্ন তোলে—
“মন্ত্রী সুজিত বসু দায় এড়াতে চাইছেন! যদি দোকানগুলি অবৈধ হয়ে থাকে, তাহলে মেয়র কী করছিলেন? তদন্ত চাই।”
🔥 পরপর আগুনের ঘটনা — নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে
মাত্র গত মাসেই বৌবাজার সংলগ্ন একটি হোটেলে ভয়াবহ আগুনে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর কলকাতা পুরসভা শহর জুড়ে ফায়ার সেফটি ইন্সপেকশন শুরু করলেও পরিস্থিতির উন্নতি তেমন হয়নি বলেই অনেকে মনে করছেন।













