আসানসোল |
আসন্ন বকরি ঈদ (ঈদ উল আজহা) উপলক্ষে আসানসোল মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের প্রশাসনিক সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হলো শান্তি কমিটির বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ-প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, বিভিন্ন মসজিদের প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতা।
❌ রাস্তায় কোরবানি নয়, জায়গা ঘেরাও বাধ্যতামূলক
আসানসোল দক্ষিণ থানার IC কৌশিক কুণ্ডু স্পষ্ট জানিয়ে দেন,
👉 রাস্তায়, গলিতে বা জনসমক্ষে কোরবানি দেওয়া যাবে না।
👉 নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি করতে চাইলে সেই স্থান চারদিক থেকে ঘেরা থাকতে হবে।
👉 কোরবানির বর্জ্য যত্রতত্র ফেলা যাবে না।
👉 রক্তমাখা পোশাকে বাইরে ঘোরাঘুরি নিষিদ্ধ।
তিনি জানান, কোনও সমস্যা হলে নিজের সিদ্ধান্তে কিছু না করে পুলিশ বা প্রশাসনকে দ্রুত জানাতে হবে।
👮♂️ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ নজর
বৈঠকে জানানো হয়,
🔹 বকরি ঈদের দিন ভিড়পূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
🔹 শহরের প্রতিটি মোড়ে, সংযোগস্থলে পুলিশের উপস্থিতি থাকবে।
🔹 ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকারের আওয়াজ কম রাখতে হবে এবং অনুমতি আবশ্যক।
🔹 সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানিমূলক বা গুজব ছড়ালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
🤲 ধর্মীয় নেতাদের আবেদন: “ঈদ হোক শান্তির উৎসব”
মুসলিম ধর্মীয় নেতারা বলেন,
“আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ পালন করব। সবাইকে অনুরোধ করছি প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন। গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি বজায় রাখুন।”
তাঁরা আরও বলেন,
🔹 সাফাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পুরসভাকে চিঠি দেওয়া হবে, যাতে সর্বত্র ডাস্টবিন রাখা হয়।
🔹 সকলকে আগাম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে জনসাধারণের সহযোগিতায় উৎসব সফল করার আবেদন জানানো হয়।
🧑⚖️ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কারা?
এদিনের শান্তি কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন:
- ACP (Central) ধ্রুব দাস
- আসানসোল মহাবীর স্থান সেবা সমিতির সম্পাদক অরুণ শর্মা
- নরেশ আগরওয়াল, শাহ আলম খান, ডঃ জীশান ইলাহী, মোহাম্মদ সাজ্জাদ, মোহাম্মদ পুতুল সহ বিভিন্ন মসজিদ কমিটির প্রতিনিধিরা।
🛑 বার্তা স্পষ্ট: আইন ভেঙে নয়, নিয়ম মেনে উদযাপনই শান্তির চাবিকাঠি
এই বৈঠক শুধু নিয়ম নয়, আসানসোলবাসীর মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্যোগে শৃঙ্খলাপূর্ণ ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ।













