দখলদারিত্বে পুড়বে শহর! ফসবেক্কির চিঠিতে নড়েচড়ে বসলো প্রশাসন?

single balaji

দক্ষিণ বঙ্গ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (FOSBECCI) আসানসোল পৌরসংস্থাকে চিঠি দিয়ে আসানসোল বাজারের প্রধান প্রবেশপথে লাগাতার দখলদারিত্ব ও যানজটের বিরুদ্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের হুঁশিয়ারি— এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে জরুরি অবস্থায় বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

📜 চিঠিতে কী লেখা ছিল?

ফসবেক্কির সভাপতি সচীন্দ্র নাথ রায়-এর স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে যে, বাস্তিন বাজার রোড, পাকা বাজার, রহালানে, ও ঘন্টা গোল এলাকা এখন এমনভাবে দখল হয়ে গিয়েছে ও যানবাহনের এলোমেলো চলাচল বেড়েছে, যে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী দু’পক্ষই বিপাকে পড়েছে।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগ— জরুরি অবস্থায়, যেমন অগ্নিকাণ্ড বা মেডিকেল ইমারজেন্সি হলে, দমকল ও অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছাতেই পারবে না।

📌 FOSBECCI-র তিন দফা দাবি:

  1. অবিলম্বে একটি সার্ভে করে বেআইনি দখল সরাতে হবে।
  2. বাজার এলাকায় ট্রাফিক ও পার্কিং নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
  3. বাজারের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলি যানজটমুক্ত করতে একটি স্থায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।

🧾 ঘটনার সারাংশ (সংক্ষিপ্ত টেবিলে):

বিষয়বিবরণ
স্থানআসানসোল বাজার, পশ্চিম বর্ধমান
অভিযোগকারীFOSBECCI (দক্ষিণ বঙ্গ চেম্বার অফ কমার্স)
মুখ্য সমস্যাদখলদারিত্ব, যানজট, জরুরি পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা
প্রধান দাবিঅবিলম্বে ব্যবস্থা, সার্ভে ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ
প্রশাসনিক পদক্ষেপএখন সকলের নজর পৌরসভার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে

🗣️ স্থানীয় প্রতিক্রিয়া:

বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন,

“জায়গা নেই ক্রেতাদের হাঁটার, রাস্তা আটকে ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

এখন প্রশ্ন— পদক্ষেপ কবে?

চিঠি জমা পড়েছে। এখন দেখার বিষয়, আসানসোল পৌরসংস্থা কী পদক্ষেপ নেয়? প্রশাসনের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ghanty

Leave a comment