“ধুলিয়ান থেকে হিন্দুদের Exodus কাশ্মীরের পণ্ডিতদের মতোই হৃদয়বিদারক” — মিলিন্দ পরান্ডে
শিলিগুড়ি: ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জেরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দুদের উপর হামলা এবং বাড়ি-ঘরে লুটপাট-সহ অত্যাচারের অভিযোগ তুলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) কড়া বার্তা দিল রাজ্য প্রশাসনকে।
সংগঠনের জাতীয় সংগঠন সম্পাদক মিলিন্দ পরান্ডে শিলিগুড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন—
“ধুলিয়ান, সুতী ও শমসেরগঞ্জে হিন্দুদের উপর হওয়া হামলা কেবল ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ নয়, বরং পরিকল্পিত জিহাদি আক্রমণ। পশ্চিমবঙ্গ সরকার যদি অবিলম্বে আইন-শৃঙ্খলা ঠিক না করে, তবে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ অপরিহার্য হয়ে উঠবে।”
🏚️ ধুলিয়ান থেকে হিন্দুদের ‘ছাড়পত্র’ কাশ্মীরের স্মৃতি ফেরাল
VHP দাবি করেছে, মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান এলাকায় হিন্দুরা ভয়ে মালদা জেলায় আশ্রয় নিচ্ছেন, যা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নির্বাসনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে। মিলিন্দ পরান্ডে একে “জাতীয় লজ্জা” বলে উল্লেখ করেছেন।
🔥 ফিরহাদ হাকিম ও সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর মন্তব্যে আগুনে ঘি
VHP নেতা বলেন, “ফিরহাদ হাকিম যেভাবে ঘটনাগুলোকে ‘স্ট্রে ইনসিডেন্ট’ বলে উড়িয়ে দিলেন, সেটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এটা মমতা সরকারের অসংবেদনশীল এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন মনোভাবের প্রমাণ।”
তিনি আরও বলেন, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর মন্তব্য— ‘ওয়াকফ বিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়বে কলকাতাতেও’ — ছিল উসকানিমূলক। এর জন্য তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, বলেও দাবি করেন তিনি।
🚨 VHP-র দাবি: ক্ষতিপূরণ, নিরাপত্তা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন
VHP জানিয়েছে যে রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব এখন হিন্দুদের:
- নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
- ক্ষতিপূরণ প্রদান করা
- অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া
প্রয়োজনে কিছু স্পর্শকাতর অঞ্চলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও আহ্বান জানিয়েছে VHP।
🕊️ “নতুন বছর শান্তি ও শৃঙ্খলা আনুক বাংলায়”— VHP-এর শুভেচ্ছা বার্তা
শেষে মিলিন্দ পরান্ডে বলেন,
“পয়লা বৈশাখে আমরা কামনা করি বাংলায় যেন শান্তি, শৃঙ্খলা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। আর ওয়াকফের নামে হিন্দুদের উপর ‘জিহাদি’ আক্রমণ বন্ধ হোক।”













