মুর্শিদাবাদ/কলকাতা | ১০ এপ্রিল ২০২৫ : ওয়াক্ফ (সংশোধন) আইন নিয়ে উত্তাল মুর্শিদাবাদ, আর এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপির মধ্যে।
মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের ওমরপুর, রঘুনাথগঞ্জ থানার অন্তর্গত এলাকায় বিশাল প্রতিবাদ কর্মসূচির মাঝে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ নিতে হয় প্রশাসনকে।
🔥 বিজেপির তোপ – “মমতা বানাচ্ছেন হিংসাকে ভোটব্যাংক!”
বিজেপি নেতা এবং বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভিডিও শেয়ার করে লেখেন:
“সংবিধান মানে না, আগুন লাগায় রাস্তা-ঘাটে—এই যদি হয় প্রতিবাদ, তবে আইন-শৃঙ্খলা কোথায়? এটা মতপ্রকাশ নয়, এটা বিশৃঙ্খলা। WB সরকার জানিয়ে বুঝিয়ে চোখ বন্ধ করে রেখেছে তাদের ভোটব্যাংকের হিংসাকে রক্ষা করতে।”
তিনি দাবি করেন, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক যেন কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে, কারণ রাজ্য পুলিশ ব্যর্থ।
🧑💻 অমিত মালব্যর অভিযোগ – ‘মমতার ভোটব্যাংক রক্ষার রাজনীতি’
বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন:
“অন্য রাজ্যে হিংসা হলে মমতা নাটক করেন, কিন্তু নিজের রাজ্যে যখন তাঁর ভোটব্যাংক তাণ্ডব চালায়, তখন ইন্টারনেট বন্ধ করে সত্য গোপন করেন!”
🔥 কী ঘটেছিল ওমরপুরে?
- মঙ্গলবার দুপুরে মুর্শিদাবাদের ওমরপুরে রঘুনাথগঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার হাজার মানুষ ওয়াক্ফ আইনের প্রতিবাদে র্যালি করতে থাকেন।
- দুপুর ৩টার সময় NH-12 ব্লক করে বিক্ষোভ শুরু হয়।
- পুলিশ হস্তক্ষেপ করতে গেলে প্রচণ্ড সংঘর্ষ শুরু হয়, চলে ইট-পাটকেল, ৫টি পুলিশ গাড়ি ভাঙচুর, ২টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
- ২০ জনের বেশি গ্রেপ্তার, একজন ডিএসপি-সহ একাধিক পুলিশ অফিসার আহত।
- সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত NH-12 আংশিকভাবে অবরুদ্ধ ছিল।
- ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে ১১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পুরো জঙ্গিপুর মহকুমায়।










