বারাবনি, পশ্চিমবঙ্গ: হোলির উচ্ছ্বাসের পর রঙেই ঢাকা পড়ে গেল এক প্রাণ! বারাবনি থানার আদিবাসী গ্রামের বাসিন্দা ৪৫ বছরের মাতাল হেমব্রোম হোলির রঙ খেলার পর স্নানের জন্য পুকুরে নামেন, কিন্তু তার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামবাসীরা পুকুরের চারপাশে খোঁজাখুঁজি করেন, কিন্তু তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরপর বারাবনি থানায় অভিযোগ জানানো হলে পুলিশ সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের খবর দেয়। অবশেষে রবিবার সকালে (১৬ মার্চ) শীলা ধাওড়ার নতুন পুকুর থেকে হেমব্রোমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

পানীয় আসক্তি নাকি দুর্ঘটনা? তদন্তে পুলিশ
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হেমব্রোম নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন, যার কারণে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, কারণ এটি কোনো দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এটিকে পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে মনে করা হলেও, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।
🔥 গ্রামবাসীদের মধ্যে চাঞ্চল্য, পুকুরে নিরাপত্তার দাবি
এই ঘটনার পর স্থানীয় গ্রামবাসীরা দাবি তুলেছেন যে গ্রামে স্নানের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করা হোক এবং পুকুরের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হোক।\

এক গ্রামবাসী বলেন, “প্রতি বছরই কেউ না কেউ এই পুকুরে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এবার প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতেই হবে!”
এদিকে, পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে এটি নিছকই একটি দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।










